সাইকেল কতো প্রকার সত্যি বলেন আপনি জানেন? 

উত্তরে অনেকে বলবেন হ্যা জানিতো মোটা চাক্কার সাইকেল, চিকন চাকার সাইকেল, গিয়ার সাইকেল আর ফনিক্স লম্বা সাইকেলগুলো এইতো এ নিয়ে আবার ১ টি আর্টিকেল লেখার কি আছে। 

জ্বী ভাই এটি নিয়েও একটি টিউন লেখার দরকার রয়েছে কারন আপনি নিজেই যেখানে এখনো সাইকেল কতোপ্রকার তা জানেননা আর বাকীলোকজন কি করে জানবে। 


কোন ধরনের সাইকেল কোন স্হানের জন্য পারফেক্ট এবং কোন শ্রেনীর লোকের জন্য কোন ধরনের সাইকেল উপযোগী তা যদি জানা না থাকে তাহলে মার্কেট থেকে একটা কিনে আনার পড়ে তো মুশকিলে পড়বেন।

 এছাড়াও আমরা এখন ডিজিটাল যুগের পারসন এখনো যদি সাইকেলের নাম না জানি তাহলে কিন্তু হয়না। 

আমার এই পোস্ট টি নতুন সাইকেল ক্রেতাদের উদ্দেশ্যই লেখা যাতে তাদের উপযোগী একটা সাইকেল নির্বাচন করে ক্রয় করে এনে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে সাইকেলিং করতে পারে। 

Types of bike


সাইকেল ৭ প্রকার। 

তা নিচে দেওয়া হলোঃ

  1.  মাউনটাইন সাইকেল
  2. রোড সাইকেল
  3.  ফিক্সিং সাইকেল 
  4. সান্ড বা ফ্যাট সাইকেল
  5. হাইব্রিড সাইকেল 
  6. সিটি সাইকেল 
  7. বিএমএক্স সাইকেল 

১। মাউনটাইন সাইকেল (Mountain Bike): 

মাউনটাইন সাইকেলকে সংক্ষেপে MTB বলে।

 এই সাইকেলে গিয়ার এবং সাসপেনশন দুটোই থাকে।  

মাউনটাইন সাইকেলের চাকা ৩ প্রকারের ২৬,২৭.৫ ,২৯ ।

 মাউনটাইন সাইকেল সাইকেল বেশীরভাগ পাহাড়ী জায়গার লোকজনেরা ব্যবহার করে। কারন এ ধরনের সাইকেল নিয়ে পাহাড়ি উচুঁ নিচু ডালু রাস্তা গুলোতে চালানোর জন্য উপযোগী, এটি মুলত পাহাড়ী অঞ্চলকে টার্গেট করেই তৈরী করা হয়েছে। 

চাইলে এটি আপনি সাধারণ সমতল রোডেও চালাতে পারবেন কোনো সমস্যা হবেনা। 

২। রোড সাইকেল (Road Bike): 

এই সাইকেলটিকে গ্রামাঞ্চলের লোকজনেরা সাধারণত চিকন চাকাওয়ালা সাইকেল নামে ডাকে, এই রোড সাইকেল টিতে সাসপেনশন থাকেনা কিন্তু গিয়ার থাকে। এই Road Bike দিয়েই রেসিং করা হয়, এই ধরনের সাইকেল  খুবই দ্রুতগামী হয়। 

এই টাইপের সাইকেল সমতল রাস্তায় চালানোর জন্য বেশী উপযোগী। 

৩। ফিক্সিং সাইকেল (fixing Bike):

এই সাইকেলে সাসপেনশন নেই, এবং গিয়ার ও নেই এবং ব্রেক ও নেই। 

কি আজগুবি কথা বার্তা তাইনা? সাইকেলে গিয়ার নেই, ব্রেক ও নেই তাহলে সাইকেল কন্ট্রোল করে কিভাবে? এটি কোনো সাইকেল হলো!জ্বী ভাই এটিই সাইকেল আর এটি ব্রেক ছাড়াই চালানো যায় এবং ব্রেক ও করা যায় মানে থামানো যায়।

 আমি আপনাকে কোনো ম্যাজিক শেখাবো না বা এই সাইকালটি ম্যাজিকের মাধ্যেমেও থামায় না বা চালায়না। 

এই সাইকেলটি কন্ট্রোল সব পায়ের মধ্যে।

 আপনি যদি পেডেল সামনের দিকে ঘোরান তাহলে সামনে চলবে আবার পেছনের দিকে ঘুরালে পেছনে যাবে। আট দশটা সাইকেলের মতো না এটি, এটিতে বাকী সাইকেলের মতো বেশী প্যাডেল ও ঘোরাতে হয়না, অল্প প্যাডেল দিলেই চলে।

 মোটকথা প্যাডেল বন্ধ করে দিলেই এটি থেমে যাবে তাই এটি ব্রেক করা নিয়ে তেমন অসুবিধায় পড়তে হয়না। 

৪। সান্ড বা ফ্যাট সাইকেল (Sand / Fat Bike):

এই সাইকেলটি সাধারণত তুষার অঞ্চলে ও মরভূমি অঞ্চলে বেশী ব্যবহার করা হয়।

 এই সাইকেলটির নাম শুনেই বুঝতে পারছেন সান্ড বা ফ্যাট সাইকেল টির চাকা অনেক মোটা হবে বা সাইকেলটি অনেক মোটা হবে। 

আসলে সাইকেলটি নয় সাইকেলের চাকা মোটা অনেক। এই সাইকেলে গিয়ার রয়েছে তবে সাসপেনশন নেই। 


৫। হাইব্রিড সাইকেল (Hybrid Bike):

এই সাইকেলটি রোড সাইকেল ও মাউনটাইন সাইকেল এই দুটির সমন্বয়ে তৈরী। 

এর ফলে দুটি সাইকেলেরই সুবিধা পাওয়া যায় একটু কম বেশী। 

৬। সিটি সাইকেল (City Bike):

আমাদের গ্রামাঞ্চলে ছোটবেলা থেকে যে লম্বা চিকন সাইকেল গুলো দেখে এসেছি এই ধরনের সাইকেলগুলোকেই বলা হয় সিটি সাইকেল।

 ফনিক্স সাইকেলের মতো এ ধরনের সাইকেলকেই বলা হয় সিটি সাইকেল।

 এই সাইকেল গুলো দ্রুতগামী হয়। 

৭। বিএমএক্স সাইকেল (BMX Bike):

এই ধরনের সাইকেল গুলোর চাকা ছোট থাকে। বিএমএক্স সাইকেলে কোনো গিয়ার থাকেনা। 

স্টান্ট এর জন্য এ ধরনের সাইকেল ব্যবহার করা হয়। 

Share To:

Post A Comment:

0 comments so far,add yours