Breaking News:
আমাদের সাইটে আপনাকে স্বাগতম।

কিভাবে একটি গবেষণা বিষয় চয়ন করতে হয় - how to choose a research topic

 গবেষণার জন্য কোনো একটি বিষয় চয়ন করা এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি দক্ষতা।

 কিভাবে একটি গবেষণার বিষয় সিলেক্ট  করবেন এর জন্য যদি কিছু টিপস জানেন তাহলে আপনার কাছে  মজাদার ও সহজ মনে হবে।

 যেকোনো একটি গবেষণার বিষয় নির্বাচন করার ৫ টি ধাপ এই পোস্টে আপনাদেরকে জানাবো। 



১। বুদ্ধিমান কিছু গবেষণা বিষয়ঃ 

আপনি যে বিষয়টি নিয়ে বেশী আগ্রহী এমন একটি বিষয় নিয়ে যদি গবেষনার কাজ করেন তাহলে সে কাজটিতে ভালোই সফলতা অর্জন করতে পারবেন।

 তাই সর্বপ্রথম এমন একটি গবেষণার বিষয় খুঁজুন।  খবরের কাগজ পড়ুন বেশী বেশী বা সংবাদ দেখুন, ট্রেন্ডিং কোনো বিষয় নিয়ে যদি গবেশনার কাজ করতে পারেন যেটি আপনার কাছে সর্বোত্তম মনে হবে এবং ইন্টারেস্ট ও খুব বেশী রয়েছে এমন একটি বিষয় নিয়ে গবেষণার কাজ শুরু করতে পারেন।


২। একটি বিষয় নির্বাচন করুনঃ

যে বিষয়টি আপনার কাছে বেশী কঠিন মনে হবে এমন কোনো বিষয় নিয়ে গ‌বেষণার কাজ না করাই উত্তম। 

কারন আপনি যদি বিষয়টি নিয়ে ভয় পান বা আপনার কাছে খুব শক্ত মনে হয় গবেশনার বিষয়টি তাহলে কিন্তু এই বিষয়টি নিয়ে বেশীদুর এগোতে পারবেননা যারফলে সাফল্যের নিকট ও পৌছতে পারবেননা।

 তাই এমন একটি বিষয় নিয়ে গ‌বেশণা শুরু করুন যেটি আপনার নিকট সহজ এবং সুস্পষ্ট মনে হবে। 


বিষয়টি নিয়ে প্রথমে একটু ঘাটাঘাটি করা একটু খোজখবর নেয়া ভালো এরপরে এটি যদি সহজ মনে হয় তাহলে ভালো আর যদি শক্ত মনে হয় তাহলে এটি বাদ দেওয়াই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

 প্রথমে আপনি একটু সময় ব্যায় করলেও পরবর্তীতে আপনার অনেক সময় বাচিঁয়ে দিবে। 

এই বিষয়টি নিয়ে তাড়াহুড়া করা উচিৎ নয় কারন তাড়াহুড়া করলে অনেক বিষয় আপনার নজরে না আসতে পারে যারফলে আপনি সুস্পষ্ট ধারনা পাবেন না। তাই এই ধাপটি কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ন একজন গবেষক বা স্টুডেন্টের জন্য। 


৩। সুপার স্পেসিফিকঃ

আপনি যে বিষয়টি নিয়ে গবেষণার কাজ করতে চাচ্ছেন সে বিষয়টি নিয়ে আরো গভীরে অনুসন্ধান করুন।

 এই ধাপটিতে আপনি কয়েকদিন সময় নিয়ে গভীর অনুসন্ধান করুন যদি আপনার মনে উদ্বিগ্নতা তৈরী হয় তারপরেও তাড়াহুড়া করবেন না এই ধাপটিতে।

 এই ধাপটিতে নিজের মন একবার পেরেক মেরে একটু স্পেসিফিক ভাবে বিষয়টির ডিপে পৌছতে পারলে পুরো গবেষণাটা আপনার জন্য সহজ হয়ে যাবে এবং সফল হওয়ার ও সম্ভাবনা বেড়ে যাবে দ্বীগুন। 


৪। আপনার গবেষণার বিষয়টিকে প্রশ্ন হিসেবে সজ্ঞা করুনঃ

আপনি যে বিষয়টি নিয়ে গবেষনা করতে চাচ্ছেন সে বিষয়টি নিয়ে এ ধাপে শুধু প্রশ্ন লিখুন।

 আপনার এ বিষয়টি নিয়ে যতো প্রশ্ন থাকতে পারে তা আপনি একটি খাতা ও কলম নিয়ে লিখতে বসে যান। আপনি শুরু থেকে প্রশ্ন লিখা শুরু করুন এটা কি?, এটি করলে কেমন হবে? এটি করলে সফল হওয়ার সম্ভাবনা কতোটুকু?

 এই গবেশনার জন্য কতোটাকা খরচ হতে পারে?

 এই গবেষণাটি সম্পন্ন করার জন্য কি কি জিনিস প্রয়োজন হবে?

 গবেষণা টি শেষ করতে কতো দিন সময় লাগতে পারে?


 গবেষণা টির জন্য কোথায় কোথায় যাওয়া লাগতে পারে? গবেষণা টির কতোটুকু সম্পুর্ন করতে পেরেছি? এটির নিয়ে কাজ করা কি উত্তম হবে? এটি কি সহজতর হবে? 

এটির চাহিদা থাকবেতো? এটি সম্পূর্ন করার জন্য কি কি বিষয়ে পারদর্শী হতে হবে? ইত্যাদি ইত্যাদি। মানে আপনার মনে যতো ধরনের প্রশ্ন রয়েছে তা সব লিখুন।


 এই ধাপে আপনি সারাদিন শুধু প্রশ্ন লিখুন প্রয়োজনে সার্চ ইন্জিনের সহযোগিতা নিয়ে সার্চ করে করে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন সংগ্রহ করতে পারেন।

 এই ধাপটি কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারন এই ধাপের মাধ্যেমেই আপনি অনেক নতুন বিষয় সম্পকে জানতে পারবেন যখন প্রশ্ন গুলোর সমাধান খুঁজতে শুরু করবেন।

 এগুলো জানা খুবই আবশ্যক গবেষণা টিতে সফল হওয়ার জন্য। 


৫। রুপরেখা তৈরী করুন / বিষয়গুলো নিয়ে আরো বেশী গবেষণা করুনঃ 

গত ধাপা আমারা যে প্রশ্ন লিখেছিলাম তার সমাধান লিখতে হবে এই ধাপে।

এরপরে সমাধান লেখা সব শেষ হলে আপনাকে প্রতিটা প্রশ্ন সম্পর্কিত আরো কোনো প্রশ্ন থাকতে পারে কিনা তা নিয়ে ভাবতে হবে। 

প্রতিটা প্রশ্ন নিয়ে যদি ভাবেন ৫মিনিট করে তাহলে দেখবেন প্রতিটা প্রশ্ন থেকে আরো ২ বা ৩ টা করে প্রশ্ন বের হয়ে গেছে এভাবে সব প্রশ্ন নিয়ে ভেবে নতুন প্রশ্ন বের করবেন এবং সেগুলোর উত্তর লিখবেন। 

মনে রাখবেন আপনি যতো ডিপে যেতে পারবেন ততোই আপনার জন্য গবেষণাটি সহজ হবে। 

 

0/Post a Comment/Comments