Breaking News:
আমাদের সাইটে আপনাকে স্বাগতম।

সাইকেল চালানোর উপকারিতা - The benefits of cycling

আমাদের নিজেদের স্মাট রাখতে ও রোগমুক্ত রাখতে সাইকেলিং করার গুরুত্ব অপরিসীম।

  সাইকেল চালানোর ফলে শরীরের অনেক অনেক উপকার হয়, যা এই পোস্টে বিস্তারিত আলোচনা করা হলোঃ

সাইকেল চালানোর উপকারিতা


১। ফিট থাকতেঃ 

গবেশকদের মতে সাইকেল চালালে যেকোনো ব্যাক্তির শারিরীক ও মানসিক দুটোই স্বাস্থ্যকর হয়।

 যাদের মন খারাপ থাকে তাদের জন্য সেরা একটি ঔষধ হলো সাইকেলিং।

 সাইকেল চালালেই আপনার মন ভালো হয়ে যাবে এবং সাইকেল চালানোর ফলে আপনার স্বাস্থ্য ও ভালো থাকবে।

 তাই নিজেকে মানসিক ও শারিরীক ভাবে ফিট রাখতে আজ থেকেই সাইকেলিং শুরু করুন।


২। ওজন কমাতেঃ 

আপনি যদি একজন একটু বেশিই স্বাস্থ্যবান হয়ে থাকেন তাহলে আপনি নিশ্চয়ই আপনার স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত। 

কারন একমাত্রই মোটা মানুষই বুঝে মোটা হওয়ার ফলে কি পরিমানে কষ্ট যে তাকে করতে হয়। মোটা মানুষের খেতে বসে শান্তি নাই।

ঘুমাতে গেলেও শান্তি নাই কারন এদের শরীরে একটু বেশীই দাহ থাকে তাই শরীরের অস্হিরতা নিয়েই ব্যাস্ত।

 

একবার যদি স্বাস্থ্য বেড়েই যায় যেকোনো মানুষের তাহলে স্বাস্থ্য আটকে রাখা প্রায় অসম্ভব। 

রাতে না খেয়ে ঘুমালে সকালবেলা দাঁড়াতে পারবেন না আপনার শরীরে ক্লান্তি অনুভব করবেন কারন আপনি রাতে খাবার খাননি।

 যদি না খেতে চান তাও সুস্থ থাকতে পারবেননা আবার অল্প খেলেও দেখবেন স্বাস্থ্য বাড়তেছে সব মিলিয়ে খুবই কষ্টকর একটা সময় যাবে আপনার।  

আপনি চাইবেন যে কিভাবে আগের মতো হতে পারেন কিন্তু তেমন ভালো কোনো আইডিয়া ও পাবেননা।

 কারন স্বাস্থ্য কমানোর জন্য দ্রুতগতিতে যে স্বাস্থ্য কমে যাবে এমন  কোনো টিপস বা ঔষধ এখনো আবিষ্কৃত হয়নি আমার জানামতে।

 যাইহোক আপনার স্বাস্থ্য কমানোর জন্য সাইকেল চালানোই একটি খুব বড় ঔষধ।

প্রতিদিন সকাল বিকাল ৩০ মিনিট করে সাইকেল চালান আপনার স্বাস্থ্য অনেক কমে যাবে আগের তুলনায়। 


৩। পায়ের শক্তি বাড়াতেঃ 

আপনি যদি একজন খেলোয়ার হয়ে থাকেন তাহলে আপনার পায়ের শক্তি বাড়ানো খুবই দরকারী। 

আপনি যদি সাইকেলিং করেন তাহলে আপনার পায়ের শক্তি অনেক বৃদ্ধি পাবে।

 আরো বেশী পায়ের শক্তি বাড়াতে প্রতি দিন স্কোয়াট এবং লুন্জের মতো ভারউত্তোলের অনুশীলন করুন প্রতিদিন।


৪। ভুরি কমাতেঃ

পেটে ভুরি হলে দেখতে আনস্মাট দেখায়, এবং চলার আগে পেট আগে চলে খুবই বিরুক্তকর একটি অবস্হা।

 ভুরি নিয়ে যারা টেনশনে আছেন এবং ইতিমধ্যে অনেক হারবালের ঔষধ ও সেবন শুরু করে দিয়েছেন তাদের জন্য আমার সাজেশন হলো এসব হার্বাল খেয়ে নিজ লিভারটাকে ক্ষতিগ্রস্ত কইরেন না।

 আপনার ভুরি বা পেটের মেদ কমানোর জন্য আপনি নিয়মিত সাইকেলিং করুন তাহলেই পেটের মেদ কমে যাবে।

 প্রতিদিন সাইকেলিং করলে আপনি আগের তুলনায় আরো বেশী ফিট হয়ে যাবেন। 

তাই নিজেকে স্মাট রাখতে নিয়মিত সাইকেলিং করুন।


৫। ক্যান্সার থেকে সুস্থ হতেঃ

একজন ক্যান্সার রোগিও যদি নিয়মিত সাইকেল চালায় তাহলে তার ক্যানসারের ঝুকি কমায়। 

মেয়েদের স্তন ক্যানসারেরও ঝুকি কমায় এই সাইকেলিং। তাই ক্যানসার রোগিদের ক্যানসার রোগ হতে সুস্থ হওয়ার জন্য সাইকেলিং করুন। 


৬। মনোযোগী হতেঃ

মনোযোগী শব্দটির সাথে নিশ্চয়ই আপনি পরিচিত। অনেকবারই টিচারের মুখে শুনেছেন যে অমুক একটু পড়ায় মনোযোগী হও ভবিস্যতে ভালো কিছু করতে পারবে। 

বা কখনো বলেছিলো শিক্ষক বাবা পড়ায় মনোযোগ দাও প্রেম প্রিতি ছাড়ো নিজের ক্যারিয়ারে মনোযোগ দাও দেশের আলোকিত মানুষ হও।

 যাইহোক এই কথাগুলো এই কারনেই বলছি যে, আপনি যে পেশার লোকই হোননা কেনো আপনি যদি একজন মনোযোগী পার্সন না হয়ে থাকেন তাহলে কিন্তু জীবনে কোনো কাজেই সফলতা অর্জন করতে পারবেননা। 

যে কাজই করতে যাননা কেনো আপনাকে সর্বপ্রথম মনোযোগী হতে হবে। দেখেন একজন ছাত্র যদি মনোযোগ দিয়ে না পড়াশোনা করে তাহলে কোনোদিও এক্সামে ভালো রেজাল্ট করতে পারবেনা। 


তেমনি একজন চাকুরিজীবী ও যদি তার নিজ কাজে মনোযোগী না হতে পারে তাহলে কিন্তু তার ভস্ আপনার উপরে কিছুতেই সন্তুষ্ট থাকবেনা।

 এভাবে যদি কাজে অমনোযোগী থাকে কিছুদেন তাহলে আপনার ভস আপনাকে চাকরি থেকে বের করে দিবে। 

যদি একজন বিজনেস ম্যান ও হয়ে থাকেন সেক্ষেত্রেও আপনাকে মনযোগী পার্সন হতে হবে নাহলে ব্যবসায় সফল হতে পারবেননা। 

আপনি যদি একজন মনোযোগী পার্সন হতে চান তাহলে সকালবেলায় সাইকেলিং করুন।

 এতে আপনার শরীরের রক্ত চলাচল বেড়ে যাবে যারফলে আপনি সারাদিন যেকোনো কাজে মনোযোগী হতে পারবেন। 



৭। স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়ঃ

গবেষণায় দেখা গেছে যে যেসব রোগীদের স্ট্রোক করার ঝুকি রয়েছে তারা যদি সাইকেলিং করে নিয়মিত তাহলে তাদের স্ট্রোক বা হার্ট ফেইলিউরের ঝুকি কমায়।

 মানে এসব রোগী যদি নিয়মিত সাইকেলিং করে তাহলে তাদের কার্ডিয়াক ফাংশন উন্নত হয়। 


৮। ডায়াবেটিকস কমায়ঃ

যেসব রোগীদের ডায়াবেটিকস রয়েছে তারা যদি নিয়মিত সাইকেলিং করে তাহলে তাদের রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণ করে।

 তাই ডায়াবেটিকস কমাতে রেগুলার সাইকেল চালান। 


৯। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়েঃ 

গবেষণায় দেখা গেছে যে, নিয়মিত সাইকেলিংয়ে যেকোনো পার্সনের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 



১০। শ্বাস যন্ত্রের পেশীঃ

সাইকেল চালালে যেকোনো ব্যাক্তির শ্বাসযন্ত্রের পেশী গুলো খুবই সতেজ হয়।

 তাই আজ থেকেই সাইকেল চালানোর অভ্যাস করুন।


১১। আয়ুস্কাল বাড়েঃ 

গবেষকদের মতে কোনো ব্যাক্তি যদি নিয়মিত সাইকেলিং করে তাহলে তার শরীরের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়ে তার আয়ুস্কাল বৃদ্ধি পায়। 


১২। মাংশপেশির গঠনঃ

 সাইকেল চালানোর ফলে মাংসপেশির গঠন খুবই চমৎকার হয়।

 শরীরের নিচের দিকের মাংশপেশীগুলো গঠনের বেশী ভূমিকা রাখতে পারে সাইকেলিং। 


১৩। হতাশাঃ 

যাদের মনের মধ্যে যেকোনো কিছু নিয়ে হতাশা কাজ করে তাহলে সাইকেলিং করুন। 

সাইকেলিংয়ের ফলে আপনার হতাশা দূর হয়ে যাবে। 


১৪। খরচ কমাবেঃ

আমরা প্রতিদিন কতো প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে এখানে সেখানে যাই এর জন্য আমাদের পকেট হতে কতো টাকা ভাড়া দেই তার হিসেব নেই। 

যদি আমরা সাইকেল নিয়েই প্রয়োজনীয় জায়গায় যাই তাহলে আমাদের খরচ কমবে। 


১৫। হার্ট সুস্থ রাখেঃ

নিয়মিত সাইকেলিং করলে আমাদের হার্ট সুস্থ থাকে। আপনি যদি সাইকেল চালাতে না পারেন

 বাসায় কিনে এনে খুটির সাথে বেধে সাইকেলের প্যাডেল ঘুরান এতেও অনেক উপকার। 

0/Post a Comment/Comments