Breaking News:
আমাদের সাইটে আপনাকে স্বাগতম।

এন্ড্রোয়েড ফোনের পাওয়ার বাটন নষ্ট হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করুন (ছোট্ট একটি এ্যাপ ব্যবহার করে)

আসসালামু আলাইকুম। আশাকরি আল্লাহর রহমতে ভালোই আছেন, 

আমিও ভালো আছি।

 আজ আমি আপনাদের জন্য লিখতে বসেছি কিভাবে আপনার এন্ড্রোয়েড ফোন বা স্মাটফোনটির পাওয়ার বাটন নষ্ট হওয়ার হাত থেকে কিভাবে রক্ষা করবেন। 

এই নিয়ে আজকের এই টিউনটি বা আর্টিকেলটি। 


এক নজরে দেখে নিন পোস্টটি পড়ে কি কি জানতে পারবেনঃ

  1. স্মাট ফোনের পাওয়ার বাটন কি বা কাকে বলে?
  2. এন্ড্রোয়েড ফোনের পাওয়ার বাটন কি কারণে নষ্ট হয়?
  3. এন্ড্রোয়েড ফোনের পাওয়ার বাটন কিভাবে সুরক্ষিত রাখবেন? 
  4. এ্যাপটি ব্যবহারের সুবিধা ও অসুবিধা


স্মাট ফোনের পাওয়ার বাটন কি বা কাকে বলে?

অনেকেই হয়তো জানিনা যে স্মাটফোনের পাওয়ার বাটন কি, তাই তাদের জন্য বলতেছি; 

স্মাট ফোনের বা এন্ড্রোয়েড ফোনের পাওয়ার বাটন হলোঃ

 যে বাটনটি দিয়ে মোবাইল অন করা হয় এবং যে বাটনটি দিয়ে ফোন অফ করা হয়। 

এছাড়াও যে বাটনটি দিয়ে স্কিন লক করেন এবং স্কিনের বাতি অন করেন সেই বাটনটিই হলো পাওয়ার বাটন, 

আশাকরি পাওয়ার বাটন কি এবং কাকে বলে তা বুঝেছেন। 


এন্ড্রোয়েড ফোনের পাওয়ার বাটন কি কারণে নষ্ট হয়?

স্মাট ফোনের পাওয়ার বাটন নষ্ট হওয়ার কারন অনেক হতে পারে কিন্তু সবচেয়ে বড় যেই কারনটি তা হলো স্মাট ফোনের পাওয়ার বাটনটি বেশী ব্যবহার করার জন্য বাটনটি নষ্ট হয়। 

আচ্ছা তাহলে বলতে পারেন যে ভাই, স্মাট ফোনটি কি ব্যবহার করবোনা? স্মাটফোনটি কি কিনে যত্ন করে রেখে দিবো, না চালিয়ে?  

এই প্রশ্নের আমার উত্তর হলো ভাই আপনার ফোনটি আপনি বেশীই ব্যবহার করুন কোনো সমস্যা নাই

 কিন্তু কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করে ব্যবহার করুন তাহলে আপনার ফোনটির পাওয়ার বাটন আর নষ্ট হবেনা। অর্থাৎ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকবে। 

এন্ড্রোয়েড ফোনের পাওয়ার বাটন কিভাবে সুরক্ষিত রাখবেন? 

এন্ড্রোয়েড ফোনের বা স্মাট ফোনের পাওয়ার বাটনটি সুরক্ষিত রাখার জন্য কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন।

 বা কিছু ট্রিকস অবলম্বন করতে পারেন তাহলে আপনার ফোনের পাওয়ার বাটনটি নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকবে। 

আপনি কি কখনো হিসেব করে দেখেছেন যে আপনি আপনার স্মাট ফোনটির পাওয়ার বাটন প্রতিদিন কতোবার প্রেস করছেন বা ক্লিক করছেন? 

হয়তো আপনি এমন কথা আর কখনো শুনেন নাই এবং মুখেও আনেননি এবং চিন্তা ও করেননি। 

যাইহোক আগে চিন্তা না করছেন এখন একটু চিন্তা করে দেখুন যে আপনি কতোবার আপনার ফোনের পাওয়ার বাটনটি প্রেস বা ক্লিক করছেন?

 চিন্তার ফলাফল আসবে হয়তো ১০০ বারের উপরে। প্রতিদিন যদি ১০০ বার প্রেস করেন বাটনটি তাহলে মাসে বাটনটি প্রেস করেন ৩০০০ বার। 

একটি ফোনের বাটন যদি মাসে ৩ হাজার বার ক্লিক বা প্রেস করেন তাহলে বছরে কতোবার ক্লিক হয় ৩৬,০০০ হাজার বার।

 হায় হায় আল্লাহ এতোবার যদি একটা লোহার গায়ে হাত স্পর্শ করেন প্রতিদিন তাহলে লোহাটিও ক্ষয় হয়ে যাবে, 

আর ফোনের এতো সামান্য প্লাস্টিক ও রাবারের বাটন তাহলে এটি ক্ষয় হবেনা কেনো? 

হ্যা এটিও ক্ষয় হয় যার ফলেই বাটনটি ৬ মাস বা ১বছর পরেই কাজ করেনা মানে নষ্ট হয়ে যায়। 


আপনি যদি আপনার স্মাট ফোনটির বাটন কোনোভাবে অল্প ক্লিক করে ফোনটি ব্যবহার করতে পারেন তাহলে আপনার ফোনের পাওয়ার বাটনটি নষ্ট হবেনা। 

বা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকবে। 

এর জন্য আপনি যে আপনার ফোন ব্যবহার কম করবেন তা কিন্তু কখনোই বলছিনা। 

আপনি এমন কোনো সিস্টেম করুন যাতে আপনার পাওয়ার বাটন ছাড়াই ফোনের স্কিন লক এবং অন করা যায়। 

ফোনের স্কিন যদি অন ও অফ করা যায় পাওয়ার বাটন ছাড়াই তাহলে কিন্তু ফোনের বাটনটিতে প্রেসার কম পড়বে যার ফলে পাওয়ার বাটনটি নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকবে। 

এর জন্য আমাদের ফোনে ছোট্ট একটি এ্যাপ ব্যবহার করে পাওয়ার বাটন ছাড়াই কিন্তু ফোন লক ও লক থাকা অবস্হায় স্কিন অন করতে পারি। এর জন্য সর্বপ্রথম প্লেস্টোরে যান 

এবং গিয়ে সার্চ করুন " Screen of " লিখে তাহলেই এ্যাপটি পেয়ে যাবেন।

 সেই এ্যাপটি ইনস্টল করুন এবং পারমিশন দিয়ে একটিভ করুন 

তাহলে এ্যাপটির একটি আইকন দেখতে পাবেন 

ফোনের হোমস্কিনে সেটিতে ক্লিক করুন

 দেখবেন স্কিন লক হয়ে গেছে আবার স্কিন লক থাকা অবস্থায় ২বার একসাথে পরপর স্কিনে টাচ করুন 

তাহলে দেখবেন স্কিন অন হবে। 

এভাবেই ব্যবহার করতে থাকুন তাহলে পাওয়ার বাটনটি সুরক্ষিত থাকবে।


এ্যাপটি ব্যবহারের সুবিধা ও অসুবিধা

এ্যাপটি ব্যবহারে আপনার পাওয়ার বাটনটি নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে কম,

 কারন আপনি পাওয়ার বাটনটিকে কম ইউজ করছেন। অন্যদিকে এ্যাপটি ব্যবহার করার জন্য একটু অসুবিধা ও হবে তা হলো

 এ্যাপটি ব্যকগ্রাউন্ডে অলয়েস একটিভ থাকার কারনে ফোনের চার্জ আগের তুলনায় একটু বেশী খরচ হবে। 

এই হলো সুবিধা ও অসুবিধা। 

0/Post a Comment/Comments