আল্লাহ তায়ালা তার দুনিয়ার  প্রিয়  বান্দাদেরকে অভাব অনটন এবং ঋণ দিয়ে পরিক্ষা করে থাকেন।

আল্লাহ্ তায়ালা তার বান্দাদের পরিক্ষা করে দেখেন যে তার বান্দারা বিপদে তাকে ডাকে কিনা।

 না আবার ভুলে যায়, না আবার, অধৈর্য হয়ে আল্লাহকে দোষারোপ করে তা দেখার জন্যই আল্লাহ তায়ালা প্রিয় বান্দা ও বান্দিদের নানান বিপদ আপদ দিয়ে থাকেন। 


মানুষের যদি বিপদ আপদ হয়, তাহলে মহান আল্লাহ্‌ তায়ালাকে ডাকা উচিৎ। 

কারন আমাদেরকে কতো সুন্দর করে যে নিজ হাতে সৃষ্টি করেছে তার কি আমাদের জন্য দয়া নেই।

তার কি আমাদের জন্য মায়া নেই?

 যদি আমাদের জন্য আল্লাহর মায়া না থাকতো তাহলে এতো সুন্দর করে নিজ হাতে তৈরী করতোনা। 

আমরা মানুষরা হলাম মাটির তৈরি, আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে জানিয়েছেন আমি মানব জাতিকে তৈরী করলাম মাটি দ্বারা। 

চিন্তা করে দেখেছেন কখনো যে আমাদের এ পুরো দেখে একটিও ব্যারিং নেই, মটর নেই কিন্তু তারপরও আমাদের শরীরকে যেরকম মন চায় সেরকম ভাজ করতে পারতেছি।

 এবং মটর ছাড়াই মাথাকে ডানে বামে মাথা ঘোরাতে পারতেছি, এবং মাথার চুল গুলো বড় হচ্ছে কিন্তু আমাদের চোখের ভ্রু কখনো বড় হচ্ছেনা।

 একই শরীরের লোম মাথার লোম বড় হচ্ছে কিন্তু চোখের উপরের লোম গুলো বড় হচ্ছেনা।

 যদি চোখের উপরের লোম গুলো বড় হতো তাহলে আমদের চোখ ঢেকে যেত লোমে কিছুই দেখতে পেতাম না। 


যেই আল্লাহ্ তায়ালা এতো চিন্তা ভাবনা করে, নিখুঁতভাবে নিজ হাতে এত্তো সুন্দর করে আমাদের তৈরী করেছেন সে আল্লাহর ইবাদত করতে হবে। 

সে আল্লাহর কাছে দোয়া করতে হবে তাহলেই আল্লাহ আমার আপনার ঋণ পরিশোধ করার তৌফিক দিবেন। 


দোয়াটি হলোঃ আল্লা-হুম্মাকফিনী বিহালা-লিকা আ`ন হারা-মিকা ওয়া আগনিনী বিফাদ্বলিকা আ`ম্মান সিওয়া-ক। 

    অর্থঃ “হে আল্লাহ! আপনি আমাকে আপনার হালালের সাহায্যে হারাম থেকে বাঁচান। 

এবং আপনার অনুগ্রহ দ্বারা আপনি ব্যতীত অন্যের মুখাপেক্ষিতা হতে বাঁচান। (তিরমিযী, মিশকাত)

ফজিলতঃ পাহাড় পরিমাণ দেনার চাপ থাকলেও আল্লাহ উক্ত দোয়ার বদৌলতে আল্লাহ তা পরিশোধ করার সামর্থ্য দিবেন।

বলে হাদিসে বর্ণিত রয়েছে। 

দোয়াটি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পরে পড়বেন। 


Share To:

Post A Comment:

0 comments so far,add yours