পৃথিবীর সকল প্রানীর মৃত্যু হবে, যার জীবন আছে তার মৃত্যু অবশ্যই হবেই হবে। 

প্রতিটি মানুষ বিশ্বাস করে যে তাকে অবশ্যই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতেই হবে।

এটি না গ্রহণ করে কোনো উপায় নাই কেউ যদি হাজারো বা কোটিবার ও বা তার বেশীও চেষ্টা করে যে।

 এ পৃথিবীতে সে অনন্তকাল বেচে থাকতে তাহলে সেটা হবে বোকামী, কারন আমাদের সৃষ্টিকর্তা স্পষ্টভাবে পবিত্র কোরআনে বলে দিয়েছেন যে প্রতিটি প্রানিকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহন করতে হবে। 

এই পৃথিবী হলো আমাদের জন্য, একটি স্বাধীন স্হান, এখানে আমরা যা ইচ্ছে তা ই করতে পারবো।

কিন্তু আমাদের কর্মফল আমাদের ই কিন্তু ভোগ করতে হবে। 

যেমন আপনি যদি ভালো কাজ করেন তাহলে আপনার মৃত্যুর পরে অপেক্ষা করতেছে জান্নাত, যেখানে শুধু সুখ আর সুখ। 

আবার আপনি যদি এই পৃথিবীতে মন্দ কাজ করতে করতে মৃত্যুবরন করেন তাহলে আপনার জন্য রয়েছে চরম সাস্তিদায়ক স্হান জাহান্নাম, যেখানে শুধু কষ্ট আর কষ্ট। 


ধরুন আমি একটা রোবট বানালাম,

 যে রোবটটিতে নিজের বুদ্ধিতে চলাফেরা এবং অন্যদের সঙ্গে কথা ও বলতে পারে। 

এখন কথা হলো রোবট টা বানানোর তো আমার উদ্দেশ্য রয়েছে একটি নাকি? এটি  আমি উদ্দেশ্য ছাড়া কখনোই তৈরী করতাম না। 

নিশ্চয়ই আমি এটি দ্বারা আমার কাজ গুলো সম্পাদন করার জন্যই তৈরী করেছি কিন্তু রোবটটি যদি আমার নির্দেশ না মানে তাহলে আমি রোবটকে শাস্তি দিতে বাধ্য হবো তাইনা?


মানুষ আপনা আপনি সৃষ্টি হয়নি, একজনে সৃষ্টি করেছে আর সে হলো আসমান জমিনের, সারাবিশ্বের মালিক যার নাম হলো মহান আল্লাহ।

 তার ইবাদত করার জন্যই মানুষ ও জ্বীন জাতি সৃষ্টি করেছেন।

 কিন্তু মানুষ এবং জ্বীনরা যদি আল্লাহর ইবাদত না করে তাহলে মৃত্যুর পরে রয়েছে তাদের জন্য স্বাস্তির ব্যবস্হা।

 অপরদিকে যদি আল্লাহর ইবাদত করে মৃত্যুবরণ করে তাহলে রয়েছে শান্তির জন্য জান্নাত যেখানে সারাজীবন সুখে থাকবে। 


যারা আল্লাহর তায়ালার ইবাদত করে, আল্লাহর তায়ালার সকল হুকুম পালন করে ও মেনে চলে তাদেরকে বলা হয় ঈমানদার। 

অর্থাৎ যার মনে প্রানে আল্লাহর প্রতি বিস্বাস আছে এবং মুখে স্বিকার করে এবং সেই অনুযায়ী আমল করে তাকে বলা হয় ইসলামী ভাষায় ঈমানদার। 

ঈমান নিয়ে মৃত্যুবরণ করার জন্য একটি দোয়া হলোঃ 

উচ্চারণঃ ফাতিরাস সামাওয়াতি ওয়াল আরদি আংতা ওয়ালিয়্যি ফিদদুনইয়া ওয়াল আখিরাতি তাওয়াফফানি মুসলিমাওঁ ওয়া আলহিক্বনি বিস-সালিহিন।

 (সুরা ইউসুফ : আয়াত ১০১) অর্থঃ

 (হে আল্লাহ!) আসমান জমিনের সৃষ্টিকর্তা তুমিই ইহকাল ও পরকালে আমার অভিভাবক; তুমিই আমাকে মুসলিম হিসেবে মৃতু্যদান কর এবং স্বজনদের বা সৎ লোকদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ দান কর। 

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সব সময় নামাজের পর এ দোয়ার মাধ্যমে মুসলিম হিসেবে মৃত্যুবরণের সৌভাগ্য অর্জন করতে কুরআনের এ আয়াতের মাধ্যমে দোয়া করার তাওফিক দান করুন। 

আমিন।

Share To:

Post A Comment:

0 comments so far,add yours